মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা
খুলনা কেএমপির বিশেষ অভিযান অব্যহৃত রয়েছে। তাহারই ধারাবাহিকতায়
মহানগরীর লবণচরা থানা পুলিশের গত এক মাসের ধারাবাহিক অভিযানে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে নবাগত ওসি মোশাররফ হোসেন। তিনি যোগদান করার পর থেকে একের পর এক সন্ত্রাসী আটক,মাদক উদ্ধার এমনকি বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে তিনি পুলিশ বাহিনীতে সুনাম অর্জন করে চলেছে।
তিনি একজন চৌকস অফিসার বলে এলাকার সচেতন মহল মনে করেন। তাহার দিক নির্দেশনায় মাত্র এক মাসে অস্ত্র, মাদক ও চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত বহু আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত সময়ের অর্জনের তথ্য প্রকাশ করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ সময় অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে ২ জন আসামিকে
গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল,একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৭ রাউন্ড গুলি এবং একটি পালসার এনএস মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০ বোতল ফেন্সিডিল, ৪৬০ গ্রাম গাঁজা এবং ৪০০ মিলিলিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ৪ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া চোরাই মালামাল উদ্ধারে এক আসামিকে গ্রেফতারসহ একটি চোরাই ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়েছে। থানার তথ্য অনুযায়ী, এ সময় জিআর ৩২টি, সিআর ৩০টি এবং সাজা পরোয়ানা ৮টিসহ মোট ৭০টি পরোয়ানা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অন্যান্য মামলায় আরও ৫০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
একই সময়ে মোট ১৬টি মামলা রুজু এবং ১৭টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কেএমপিতে ৩০টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয় এবং ৭১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ৯১টি বি-রোল ও ৩৪ টি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন করা হয়েছে। বিবিধ অভিযানে ৬টি সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে ১০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় আরও ১৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
লবণচরা থানা পুলিশ জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে ভবিষ্যতেও কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে বলে জানানো হয়। এ সময়ে ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, যে কোন ধরনের অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। তবে লবনচরা থানাকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা আছে।
নতুন সংবাদ প্রতিদিন