মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা,
খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় চলতি মৌসুমে সরকারি ভাবে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গত ৩ মে থেকে শুরু হওয়া এই সংগ্রহ আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। চলতি মৌসুমে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মোট ৬৫ হাজার ৭০৫ মেট্রিক টন ধান এবং ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩৫১ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৬০৮৭ আতব চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সুত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে সংগ্রহ হয়েছে ৮০%। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ হাসান আল নাঈম বলেন,
চলতি বছরে লক্ষ্য মাত্রা ৭ হাজার ২৪১ মেট্রিক টন ধান ও ১৯ হাজার ৮৮০ মে, টন আটা। বাগেরহাট ডিসি ফুড মোঃ দিলোয়ার হোসেন জানান, তার লক্ষ্য মাত্রা ৭ হাজার ৫১৩ মে,টন ধান ও ৯ হাজার ৩৯৭ মে,টন চাল। সাতক্ষীরা ডিসি ফুড মোঃ ওমর ফারুক জানান,তার লক্ষ্য মাত্রা ৮ হাজার ২৫ মে,টন ধান ও ১৯ হাজার ৯৪ মে,টন চাল, যশোরের ডিসি ফুড মোঃ শেফাউর রহমান জানান, তার লক্ষ্য মাত্রা ১৫ হাজার ১৬৬ মে,টন ধান ও ৩৩ হাজার ১৫৯ মে,টন চাল,
ঝিনাইদহ ডিসি ফুড সুবীর নাথ চৌধুরী বলেন,তার লক্ষ্য মাত্রা ৯ হাজার ১৫২ মে,টন ধান ও ১৬ হাজার ১৬৮ মে, টন চাল। মাগুরা ডিসি ফুড সন্দীপ দাশ বলেন,তার লক্ষ্য মাত্রা ৪ হাজার ১২২ মে,টন ধান ও ৫ হাজার ৪৫ মে,টন চাল। নড়াইল ডিসি ফুড লায়লা আফরোজ বলেন,তার লক্ষ্য মাত্রা ৫ হাজার ২৮৪ মে,টন ধান ও ৫ হাজার ১২ মে,টন চাল,কুষ্টিয়ার ডিসি ফুড মোঃ অজিয়ার রহমান বলেন,তার লক্ষ্য মাত্রা চলতি বছরে ৩ হাজার ৬৩৮ মে,টন ধান ও ৩৭ হাজার ৭৪৬ মে,টন চাল,চুয়াডাঙ্গায় ডিসি ফুড মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, তার লক্ষ্য মাত্রা ৩ হাজার ৬৭২ মে,টন ধান ও ৯ হাজার ৬৭৬ ম,টন চাল এবং

মেহেরপুরের ডিসি ফুড হাসনা হেনা বলেন,তার লক্ষ্য মাত্রা ১ হাজার ৮৯২ মেট্রিক টন ধান ও ২ হাজার ১৭৪ মেট্রিক টন চাল। চলতি অর্থবছরে সরকার ধানের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা এবং চালের ক্রয়মূল্য প্রতি কেজি ৪৯ টাকা। সংশ্লিষ্ট ১০ জেলার ডিসি ফুডবৃন্দ জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ধান ও চাল সংগ্রহের শতভাগ অর্জনে কাজ করা হচ্ছে। ১০ জেলার সকল উপজেলার গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে উন্নতমানের ধান সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে বৈধ মিলারদের কাছ থেকে মানসম্মত চাল সংগ্রহ করছেন।
খুলনা বিভাগীয় সহকারী রসায়নবিদ (অ:দা) মোঃ মনিরুল হাসান বলেন,সংগ্রহর সময় বিভিন্ন গুদামের চালের নমুনা ল্যবে টেষ্টে আসে। এখানে চালের মান পরিক্ষা করা হয়। পরিক্ষায় চালের মান ভালো হলে সরকারি নির্দেশ মোতাবেক সেটা ক্রয় করা হয়ে থাকে।
খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন,স্বচ্ছতার সঙ্গে সংগ্রহের বিষয়ে জেলা কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গুদাম কর্মকর্তারা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান এবং মিলারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ করবেন। তিনি আরও বলেন,চলতি মৌসুমে ধান সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ৬৫,৭০৫ মে,টন কিন্তু সংগ্রহ হয়েছে ৫৭,৫১৬ মে,টন। চালের লক্ষ্য মাত্রা ছিলো ১,৫৭,৩৫১ মে,টা অর্জন হয়েছে ১,২৫,০৭১ মে,টন। তবে চলতি মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ত্রুটি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নতুন সংবাদ প্রতিদিন