এ এইচ অনিক বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে ভুমিহীন পরিচয় দিয়ে সরকারি খালের জমি বন্দোবস্ত নিয়েছে বিত্তবান কৃষকলীগ নেতা ভূমিদস্যু রশিদ আকন ও তার স্ত্রী। এদিকে খালে বাঁধ দিয়ে মাছের ঘের ও মুরগীর ফার্ম করায় ইরি চাষ ব্যহত হচ্ছে। এলাকায় তোলপাড়! এ ব্যপারে ১১ আগষ্ট সোমবার অভিযোগের ভিত্তিতে হারতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা মোঃ জিহাদ মোর্শেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তিনি জানান তদন্ত রিপোর্ট অচিরেই উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করা হবে। উল্লেখ্য ২৭ জুলাই উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে স্থানীয় মোঃ ইয়াছিন বেপারী,আক্তার বিশ্বাস,মোঃ লিটন,মোঃ শামসুল হক,মোঃ সোহাগ,শহিদুল ইসলাম,সেকান্দার,আব্বাস,হারুন মাঝি,ইয়াছিন, জাহিদ,সালাম,ইদ্রিস, হানিফ,এনায়েত। সুত্রে জানা যায় রাজাপুর গ্রামের ইয়াছিন বেপারীর বাড়ি সংলগ্ন গাইনের পানি চলাচল ও কৃষকদের ইরি চাষ প্রকল্পের জমি ২০২১ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয়। যাহা এলাকার কৃষকদের ইরি চাষ অতি জরুরি। উক্ত সরকারি খালের জমি ভুয়া ভূমিহীন পরিচয় দিয়ে রশিদ আকন ও স্ত্রীর নামে বন্দোবস্ত নেয়। এছাড়া রশিদ আকন,কাদের আকন,আব্দুল হাদী মৃধা মিলে খালের বাধ দিয়ে মাছের ঘের ও মুরগীর ফার্ম তৈরি করে। স্থানীয় সুত্রে আরো জানা যায় রশিদ আকনের এক মেয়ে নার্স ও আরেক মেয়ে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এক কথায় ধর্ণাঢ্য পরিবার। এরপরেও রশিদ আকন তৎকালীন স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে ক্ষমতাতার দাপটে ভূয়া ভুমিহীন পরিচয় দিয়ে সরকারি খালের জমি বন্দোবস্ত নেয় কৃষক লীগের নেতা ভূমিদস্যু রশিদ আকন ও তার স্ত্রী। এ ব্যপারে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা জানান ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে ভূমিদস্যুদের কবল থেকে সরকারি খালের জমি দখল মুক্ত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। এমনকি অচিরেই বন্দোবস্ত বাতিল করে কৃষকদের ইরি চাষের উপযোগী করার দাবি জানিয়ে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা'র সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।ব্যপারে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা জানান ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তদন্ত রিপোর্ট পেলে বন্দোবস্ত বাতিলের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
নতুন সংবাদ প্রতিদিন