Logo
প্রিন্ট এর তারিখঃ ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২:০৬ PM || প্রকাশের তারিখঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:০৪ AM

শ্যামনগরের তরুণদের দৃঢ় আহ্বান,ড. মনিরুজ্জামান মনিরই হোন আমাদের এমপি

News Image

মোঃ সাইফুল ইসলাম শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ 

সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনীতির উত্তাপ এখন দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, ব্যতিক্রম নয় সাতক্ষীরার শ্যামনগর (সাতক্ষীরা-৪) আসনও। এ আসনে রাজনৈতিক আলোচনা যত এগোচ্ছে, ততই একটি নাম ঘুরেফিরে আসছে—ড. মো. মনিরুজ্জামান মনির। তরুণদের মুখে মুখে এখন একটাই আহ্বান: “পরিবর্তনের সময় এসেছে, এবার নেতৃত্ব হোক নতুন, সৎ ও আধুনিক চিন্তার মানুষের হাতে।”
শ্যামনগরের চায়ের দোকান, হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা নদীপাড়—যেখানেই যাওয়া যায়, শোনা যাচ্ছে একই কণ্ঠস্বর—“ড. মনিরই আমাদের ভরসা, তিনিই হোন আমাদের সংসদ সদস্য।” তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, বরং তরুণ প্রজন্মের কাছে মেধা, সততা ও প্রগতির প্রতীক হয়ে উঠেছেন। দলমত নির্বিশেষে এক বিস্তৃত তরুণ শ্রেণি তাঁর পক্ষে মাঠে নেমেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো।
ড. মনিরুজ্জামান মনিরের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু ২০০৯ সালে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছিলেন গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী, আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে গড়ে তুলেছেন একজন দক্ষ সংগঠক, চিন্তাশীল রাজনীতিক এবং মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে। তাঁর মধ্যে রয়েছে আধুনিক রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি, প্রখর বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং জনসংযোগে অসাধারণ দক্ষতা।
এক কলেজপড়ুয়া তরুণ বলেন, “মনির ভাইয়ের মতো রাজনীতিক আগে কখনও দেখিনি। উনি আমাদের মতো করে ভাবেন, আমাদের ভাষায় কথা বলেন। উনাকে মনে হয়, উনি আমাদের মধ্যেই একজন।” এক প্রবীণ ব্যবসায়ী বলেন, “মনির সাহেব ভদ্র, শিক্ষিত, নির্লোভ—এমন নেতা আমরা আগে পাইনি। উনি আমাদের সন্তান, এবার আমরা তাকেই সংসদে পাঠাতে চাই।
সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত “রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা” কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে তিনি জাতীয় পর্যায়ে আলোচনায় আসেন। সেখানে তাঁর যুক্তিনির্ভর ও বাস্তবভিত্তিক উপস্থাপনা অংশগ্রহণকারীদের দৃষ্টি কাড়ে। সেখানে তিনি বলেন, “এই রাষ্ট্রে আর দুর্নীতির জায়গা থাকবে না। আমি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই, শ্যামনগরকে গড়ে তুলব একটি দুর্নীতিমুক্ত, প্রযুক্তিনির্ভর ও তরুণবান্ধব মডেল উপজেলায়।
ড. মনিরের শিক্ষাগত যোগ্যতাও তাঁকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। তিনি পিএইচডি করেছেন “The Impacts of the New Artificial Intelligence Technology on Business Entrepreneurship” বিষয়ে। তাঁর গবেষণা, চিন্তা ও রাজনৈতিক দর্শনে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের স্পষ্ট ছাপ রয়েছে। তরুণদের কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা বিকাশ ও শিক্ষার ডিজিটালায়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা অনেককে অনুপ্রাণিত করেছে।
রাজনৈতিক জীবনে ড. মনির কখনও কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়াননি। বরং বরাবরই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার। এ কারণেই শ্যামনগরের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ তাঁকে দেখছে একজন ‘রোল মডেল’ হিসেবে। স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, শ্যামনগরের দীর্ঘদিনের অবহেলিত উন্নয়ন এবং নেতৃত্বের অভাব পূরণ করতে পারেন একজন তরুণ, শিক্ষিত ও প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তাধারার নেতা—যেমনটি ড. মনির।
শ্যামনগর এক সম্ভাবনাময় জনপদ হলেও যুগ যুগ ধরে উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত ধারা থেকে বঞ্চিত। দুর্বল নেতৃত্ব, স্বজনপ্রীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে এখানকার মানুষ উন্নয়ন দেখেনি। সেই প্রেক্ষাপটে ড. মনিরের মতো একজন ভিন্নধারার প্রার্থীকে ঘিরে মানুষের আশা যেন আরও দৃঢ় হয়েছে।
ইতি মধ্যে তরুন সমাজে একটাই স্লোগান মনির মানে মেধা, মনির মানে মানবতা শ্যামনগরের ভরসা — ড. মনিরুজ্জামান মনির”তরুণ নেতৃত্বে উন্নয়নের অঙ্গীকার”।
তরুণদের কণ্ঠে বারবার উচ্চারিত হচ্ছে: “আমরা এমন নেতৃত্ব চাই, যে আমাদের বুঝবে, কথা দেবে না—কাজ করবে। মনির ভাই তেমনই একজন। এখন সময় এসেছে, রাজনীতিতে সত্যিকারের পরিবর্তনের।”
ড. মনিরুজ্জামান মনির আজ শুধু একজন প্রার্থী নন, হয়ে উঠেছেন শ্যামনগরের মানুষের হৃদয়ের প্রার্থী। তাঁর তারুণ্য, সততা, দক্ষতা ও উন্নয়নভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভরসা রেখেই শ্যামনগরের মানুষ বলছে—“আমাদের নেতা চাই না, আমাদের দরকার একজন পথপ্রদর্শক। ড. মনিরই সেই মানুষ।