আজিজুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার।
রূপসায় এবি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যবসায়ী ও আল-ফালাহ সমবায় সমিতির স্বত্ত্বাধিকারি মোঃ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আনিত প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে যে সংবাদ সম্মেলন সহ বিভিন্ন পত্রিকায় ও সোশাল মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ও ভিত্তিহিন। রবিউল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ সম্পুর্ণ পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, মিথ্যা, বানোয়াট, এবং ভিত্তিহিন । যেহেতু আমি ব্যক্তিগতভাবে একজন ব্যবসায়ী সেহেতু পাওনা-দেনা থাকবে এটায় স্বাভাবিক। গত ৩১ আগস্ট ২০২৪ রাতের আধারে আমার দোকান ও এবি এজেন্ট ব্যাংক কিসমত খুলনা শাখা চুরি হয়। নগদ ২ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা এবং ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, জমির দলিল চুরি হয়। বিষয়টা রুপসা থানায় অভিযোগ করা হয় এবং ২সেপ্টেম্বর ২০২৪ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় ব্যাংকের বিভিন্ন চেকের পাতা, ব্যবসায়ীক প্যাড ও চুরি হয়ে গিয়েছে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে চেকের মামলা, জমি দখল, ব্যাংক উৎখাতের হুমকি দিয়ে আসছে। বিপর্যস্ত হয়ে মোঃ রবিউল ইসলাম দেওয়ানি ১৫২/২০২৪ ও দেওয়ানি ১২২/২০২৪ মামলা দায়ের করেন। তারপরও দুষ্কৃতিকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি, তারা পরিকল্পিত ভাবে ব্যাংকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ব্যবসায়ীক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে,জীবন নাশের হুমকি দেয়, ফোনকলের মাধ্যমে চাঁদা চায়, রেলওয়ের লাইসেন্সকৃত ও নিয়মিত খাজনা প্রদান করা রবিউল ইসলামের জমিটি পরবর্তীতে অন্য ব্যক্তি মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আরেকটি লাইসেন্স করেন এবং জমি থেকে উৎখাতের হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমার ভাগ্নে ইটের ব্যবসা করা কালীন বিভিন্ন লোকের নিকট হতে সুদ দাদন হিসাবে গ্রহণ করে ছিল। উক্ত টাকা পরিশোধ করার পরও সুদ খোরদের চাহিদা মিটছে না। সুদ ব্যবসায়ীরা আমাকে সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে অসম্মান করার জন্য আমার বিরুদ্ধে খামখেয়ালি ভাবে অর্থ আত্মসাৎের অভিযোগ ও আদালতে চেক জালিয়াতির মামলা করেছে। আমি জাতির বিবেক সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে তদন্ত পুর্বক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।