ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জের কলস কাঠিতে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটাই বিক্রি,হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের বাকেরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি নিমাই কীর্তনীয়ার বিরুদ্ধে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 17, 2026 ইং
বাকেরগঞ্জের কলস কাঠিতে  অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটাই বিক্রি,হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের বাকেরগঞ্জ উপজেলা  সভাপতি  নিমাই কীর্তনীয়ার বিরুদ্ধে

বরিশাল প্রতিনিধি

পাণ্ডব নদীর পার থেকে অবাধে মাটি কেটে বিক্রি।
বাকেরগঞ্জ  উপজেলার কলস কাঠি  ইউনিয়নের বাগদিয়া ঢাপড় কাঠি,  সাদীশ আমতলী  এলাকায় পান্ডব  নদীর পার কেটে মাটি  দেদারসে  বিক্রি করছে, 
বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের বাকেরগঞ্জ উপজেলা  সভাপতি  নিমাই কীর্তনীয়া।
 নদীর তীর  ও নদীর পাশের খাসজমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে,  দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চক্রটি। এ ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
 দিনের আলোতেই নদীর তীর ও খাসজমি থেকে মাটি কেটে পল্টনে  করে বিভিন্ন ইট ভাটায়  নিয়ে বিক্রি করছে। ভোরের আলো ফোটার আগেই কিংবা দিনের ব্যস্ত সময়ে নদীর তীরের এই মটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। মাটি কেটে নেওয়ায় নদীপারে তৈরি হয়েছে গভীর ক্ষত।  পান্ডব  নদীপারের মানুষের একটাই দাবি– কলস কাঠি কে   বাঁচান। এখনই মাটি কাটা বন্ধ না হলে আগামী বর্ষায় নদীপারে দেখা দিতে পারে ভাঙন, হারিয়ে যেতে পারে বহু মানুষের বাস্তুভিটা। স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতিবছর পাণ্ডব  তীর থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে চক্রটি। 
 সোমবার ১৬ ই ফেব্রুয়ারি সরেজমিন দেখা গেছে নিমাই কীর্তনীয়া  পূর্ব বাগদিয়া গ্রামের টাটা  ব্রিকস নামে একটি ইটভাটার মাটির সরবরাহ করছিলেন তিনি, পূর্ব পাশের পান্ডব  নদীর পারসহ কয়েক বিঘা জমি থেকে সাত-আট ফুট গভীর করে মাটি কেটে  ভেকু পল্টন দিয়ে তুলে   নেওয়া হয়েছে।  স্থানীয় জানান নিমাই এখন অনেক বড় নেতা  তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খোলে না  জোর করে  নদীর পাড়ের ও খাস জমির মাটি কেটে নেয়,  স্থানীয় আরিফ জানান  আমাদের নিজেদের জমি ও  এলাকার  মানুষের  জমির  সামনের জমিগুলো  এতদিন আমরাই ভোগ দখল করেছিলাম  যেটা ডিসি অফিসে আমাদের সকল কাগজপত্র  জমা দেওয়া আছে, সেখানে ৫০ বিঘা  খাস জমি  তরমুজ চাষীদের কাছে ,  বর্গা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নিমাই।  
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছর এই এলাকা থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করা হয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না। বর্ষা এলেই ঘুম হয় না। যদি রাতে পার ভেঙে ঘর নদীতে চলে যায়। শুধু নদীর তীর নয়, ফসলি মাঠের পাশের খাসজমিও রেহাই পাচ্ছে না। এতে জমির স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি ও পরিবেশে। মাটি কাটা বন্ধ না করলে বর্ষায় বড় বিপদ হবে।
 নদীর তীর এভাবে কেটে নেওয়া হলে বর্ষায় বড় ধরনের নদীভাঙন দেখা দেবে। বসতভিটা ও কৃষিজমি ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। অথচ প্রকাশ্যে মাটি কাটলেও কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। খাসজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি সরিয়ে নেওয়ায় আশপাশের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
এই মাটি  বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে জায়গা থেকে মাটি কাটা হচ্ছে এটি  পান্ডব নদীর একটি বাঁক খাস জমি।  ক লস কাঠির মানচিত্র  রক্ষা করতে হলে  নিমাই দের মত ভূমিদস্যদের  দমনে এগিয়ে আসতে হবে এলাকাবাসীকে,  দলের নাম  ভাঙ্গিয়ে  চাঁদাবাজি ভূমিদস্যতা  বন্ধ করতে হবে  বলে মনে করেন সচেতন মহল। 
মাটি কাটার ভেকু চালক জানান , ঢাকা থেকে ভেকু পল্টন  এনেছেন স্থানীয় বাগদিয়া গ্রামের নিমাই কীর্তনীয়া  নামের এক  ব্যক্তি। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজের  সাথে  যোগাযোগের চেষ্টা  করলেও সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে নিমাই কীর্তনীয়ার কাছে  জানতে চাইলে তিনি বলেন  সংগঠন চালাতে  হলে  বাড়তি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজন আছে ভাই।
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাত পোহালেই ছট পুজো, টানা বৃষ্টির ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতারা অস

রাত পোহালেই ছট পুজো, টানা বৃষ্টির ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতারা অস