শাহিন হাওলাদার / বরিশাল প্রতিনিধি
বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলস কাঠি ইউনিয়নের বাগদিয়া ঢাপড় কাঠি, সাদীশ আমতলী এলাকায় পান্ডব নদীর পার কেটে মাটি বিক্রি করছে,
বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের বাকেরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি নিমাই কীর্তনীয়ার বিরুদ্ধে। এই নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে কৌশল বদলে দিনের পরিবর্তে, মধ্যরাতে মাটি চুরি করেছে নিমাই কীর্তনীয়া চক্রটি।
প্রশাসনের সাথে আঁতাত করে বুক ফুলিয়ে চক্রটি সমান তালে ভেকু পল্টন দিয়ে ফসলি জমি ও নদীর পাড় , খাস জমি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে মাটি খেকোরা। কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির ব্যপারে প্রশাসনকে জানিয়ে ফল পাচ্ছে না উপজেলার পাণ্ডব নদীর পাড়ের সাধারণ জনগন। স্থানীয় জনসাধারণ এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজ কে ফোন দিলেও তিনি দেখছি ব্যবস্থা নিব বলে ফোন কেটে দেন।
জনসাধারণের সমস্যা সৃষ্টি হলেও বালুমহাল, মাটি ব্যবস্থাপনা ও ভূমি আইন থাকলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ,আগে দিনরাত ২৪ ঘন্টা মাটি চুরি করতো, সংবাদ প্রকাশের পর দিনের আলোর চেয়ে রাতেই সুবিধা মনে করে মাটিখেকোরা মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে। মাটি কাটা বন্ধের ব্যপারে ইউএনও, এসিল্যান্ডকে ফোন করেও বন্ধ হয় না।
গতকাল রবিবার দিবা গত রাতে চক্রটি কলসকাঠী বাজারে একটি দখল সূত্রে মালিক অফিস ঘরে, মাটি চুড়ির টাকার ভাগ বাটারায় বসে সেখানে নিমাই কীর্তনীয়া ১৩ লক্ষ টাকার হিসাব দিলে , মাটি চুড়ির অন্য সদস্যরা ২৫ লক্ষ টাকা লাভের টাকা দাবি করলে , হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের উপজেলা সভাপতি নিমাই কীর্তনীয়া
উপজেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন খাদে খরচের হিসাব দেখায়। কোথায় কাকে কয় টাকা দিছো সেটার প্রমাণ পত্র না দেখাতে পারায় , নিমাইকে নাজেহাল করে ছেড়ে দেয় চক্রের অন্য সদস্যরা । পরে নিমাই কলসকাঠী বাজার ছেড়ে পালিয়ে যায়।
রাতে মাটি কাটার ব্যপারে কথা হয় মাটি ব্যবসায়ী একজনের সাথে, তিনি অভিযোগ করে বলেন নিমাই ভেকু পল্টন ঢাকা থেকে মাসিক চুক্তিতে নিয়ে এসেছে আমরাও ৪-৫ জন আছি এর সাথে, তার খরচের খাতা এত লম্বা,উপজেলা প্রশাসন, বাকেরগঞ্জ থানা, বাকেরগঞ্জের বিএনপির সব বড় বড় নেতা, কলসকাঠীর নেতাদের নাকি টাকা দেয় নিমাই, আসলে ভাই ও কোথায় কি টাকা দেয় আমরা জানি না ও শুধু ভাউচার দেয় , ওর বিরুদ্ধে গরু চুরি, গাছ চুরি, সরকারি খাল ভরাট করে বাড়ি তৈরি, ৬০ একর খাস জমি দখল করে তরমুজ প্রকল্প সহ নানা অভিযোগ আছে, নিমাই ছোটবেলা থেকে কাটা লাইনের মানুষ তবে অভিযোগ উড়িয়ে দেয়ার মত নয়।
সংবাদ প্রকাশের পর একটু ঝামেলা হয়েছে তাই এখন রাতেই বেশি নিরাপদ। বর্তমানে দিনের বেলায় মাটি কেঁটে বিক্রি করলে একটু ঝামেলা হচ্ছে তাই পরামর্শ করেই রাতে মাটি কাটছি। কারণ রাতে ঝামেলা নেই।
পাণ্ডব নদী থেকে ঢাপড়কাঠী বাগ দিয়া, সাদিশ আমতলী মাটি, ইটভাটায় বিক্রি এবং জনদূর্ভোগের ব্যপারে সহকারী কমিশনার ভূমি তন্ময় হালদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,মাটি কাটার বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে, ও খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, আজকে ও যদি হয় আমাকে জানান ব্যবস্থা নিচ্ছি।
নতুন সংবাদ প্রতিদিন