ঢাকা | বঙ্গাব্দ

খুলনা বিএনপি ৪ শীর্ষ নেতাদের মিথ্যা ষড়যন্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে হয়েছে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 30, 2026 ইং
খুলনা বিএনপি ৪ শীর্ষ নেতাদের মিথ্যা ষড়যন্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে হয়েছে

মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা,

খুলনার বিএনপি ৪ জন শীর্ষ নেতাদের গত কয়েক মাসের মধ্যে ষড়যন্ত্র মুলক মিডিয়া ট্রাইলের শিকার হতে হয়েছে। 
এদের মধ্যে সর্ব প্রথম নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর খুলনার একজন ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা টাকা চেয়ে মুঠোফোনে কথা বলে পড়েন মহাবিপাকে। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পুরো ঘটনা না জেনেই সাগরকে নিয়ে পত্রিকায় ষড়যন্ত্র মুলক সংবাদ করে দেয়া হয় চাঁদাবাজির অভিযোগ। 
পরে ঘটনায় জানা গেছে, ওই ব্যবসায়ীর কাজে ধার দেয়া টাকা সময় মতো ফেরত না পেয়ে ফোন করেছিলেন যুবদল নেতা সাগর। বিষয়টি নিয়ে ওই ব্যবসায়ী গণমাধ্যমের কাছে একদিন পরেই সঠিক সত্যটা তুলে ধরেছিলেন।
২য় শিকার হন সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ মোল্লা। রীতিমতো তাকে খুলনার আলোচিত এরশাদ শিকদারের সাথে তুলনা করে ঢালাওভাবে সংবাদ প্রচার করা হয়। চাঁদাবাজি,দখলবাজিসহ নানা অভিযোগ তোলা হয় বিএনপির এ নেতার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় পক্ষে বিপক্ষে নানা ধরনের মতামত। অবশেষে তার বিরুদ্ধে ছড়ানো সংবাদের সতত্যা খুজতে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ভুয়া ও বেনামে অভিযোগ দিয়ে তাকে নিয়ে মিথ্যা ও  ষড়যন্ত্র মুলক মিডিয়া ট্রাইল করা হয়েছিলো পরিকল্পিত ভাবে। 
৩য় শিকার সম্প্রতি খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব 
মনিরুল হাসান বাপ্পি। তার বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া এলাকার জেলা পরিষদের রাজস্বের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়। এ নিয়ে পত্রিকায় সংবাদ না হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়। তবে পরবর্তীতে দেখা যায় অভিযোগ তোলা সেই টাকা জেলা পরিষদের কোষাগারে জমা রয়েছে। 
সর্বশেষ খুলনার বিএনপির নেতা ও সিটর প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে নিয়ে মিডিয়া ট্রাইল করা হয়েছে। সংবাদে বলা হয়, প্রশাসকের কাছের মানুষদের কাজ দেয়া হয়েছে। তবে চলমান ওই কাজ গুলোতে কোন ত্রুটি হচ্ছে কিনা তা সংবাদে উল্লেখ নেই । মূলত যারা কাজ পেয়েছেন তাদের মধ্যে বিএনপি ও অংগ সংগঠন সমূহের নেতারা রয়েছেন। যারা কাজ পেয়েছেন তারা সবাই কেসিসির ঠিকাদারি লাইসেন্সের মাধ্যমেই কাজ করছেন। 
যদি কাজে কোন ত্রুটি থাকে সে ক্ষেত্রে সংবাদ প্রকাশিত হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন। উল্লেখিত কাজ গুলোতে কোন ত্রুটি পাওয়া যায়নি এখনো পর্যন্ত। কিন্তু উদ্দেশ্য মূলক ভাবে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে সংবাদে,এমনটি দাবি করছেন নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ।  
বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারী সাংবাদিকদের ব্যবহার করে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে খুলনার বিএনপির নেতাদের পরিকল্পিত ভাবে মিডিয়া ট্রাইল করা হচ্ছে।
মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্র মুলক সাংবাদিকদের মুখোমুখি পরবর্তী টার্গেট কে,এমনটা প্রশ্ন খুলনা বিএনপি নেতাদের। তাদের দাবী সাংবাদিক হলো জাতির বিবেক তাই সঠিক তথ্য খুজে বের করে তারপর সংবাদ প্রকাশ করার জন্য জোর দাবি জানান খুলনা জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের বড় সাফল্য: ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক

বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের বড় সাফল্য: ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক