নিজস্ব প্রতিবেদক
বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির কমিটি নির্বাচন নিয়ে ব্যপক বিতর্ক থাকলেও ১৪ টি ইউনিয়নের ১১ টি ইউনিয়নে নির্বাচনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের প্রত্যাখ্য ভোটে জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাধারণ নেতাকর্মী ও সমার্থকরা, কিন্তু ব্যপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে কলসকাঠি ও রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন দুটোতে যে কারণে কলসকাঠি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের তোপের মুখে কলসকাঠি ত্রি-বার্ষিক সন্মেলন বাতিল করেন উপজেলা ও জেলা নেতৃবৃন্দ। অন্য দিকে রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠনের পুরো প্রস্তুতি শেষ হলেও ভোটার তালিকা তৈরি নিয়ে সৃষ্টি জটিলতার কারণে শেষ অবধি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে নির্বাচন সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কুদ্দুসের অধিনে তালিকা তৈরির জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু বিধিবাম দুজনেই এবার সভাপতি প্রার্থী হিসেবে নিজের নিজের পছন্দের লোকজনকে দিয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে ৫১ সদস্যর তালিকা করেন। যাতে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মিদের পূনবাসন সহ সুবিধা ভোগী চক্র তালিকায় স্থান পেয়েছে, বঞ্চিত হয়েছে অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী ও সমার্থকরা, এ নিয়ে উপজেলা নেতৃবৃন্দরা দফায় দফায় আলোচনা করে অনেক কাটছাট করে দু গ্রুপের তালিকা থেকে একটা তালিকা তৈরি করে। কিন্তু তাতেও অনেক ত্যাগী নেতাদের যায়গা হয়নাই। অপরদিকে সুবিধা ভোগী চক্রের অনেকেই রয়ে যায় বহাল তবিয়তে। বিষয় টি জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক সাবেক এমপি আবুল হোসেন খানের দৃষ্টিতে আনলে তিনি ও আলোচনা করে বিষয় টি সমাধানের চেষ্টা করে, ত্যাগী নেতাকর্মীদের তালিকায় অগ্রধিকার দিয়ে নতুন করে তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেন। কিন্তু উপজেলা বিএনপির এক প্রভাবশালী সদস্য পর্যায়ের এক নেতার একগুয়েমির কারণে চলে নানান টালবাহানা, এ নিয়ে নেতাকর্মীদের ক্ষোভের মুখে এক পর্যায় নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত চলে কাটছাঁট এতে ৮ নং ওয়ার্ডে জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত গ্রাম সরকারের সাবেক সচিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম হাওলাদারের নাম কেটে সেখানে জাফর ডাকুয়া নামের একজন অজ্ঞাত পরিচয় লোককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ বিষয় সিরাজুল ইসলাম হাওলাদার বলেন আমি ৪০ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত, নানান ঘাতপ্রতিঘাত পেরিয়ে আমি দলের জন্য কাজ করে গেছি, কারও প্রলবনে পড়ে দল ত্যাগ করিনাই, এখন দলের কমিটি গঠন নির্বাচনের শেষ মূহুর্তে আমার নাম কেটে ফেলছে জানতে পেরে আমি অবাক হলাম। এ নিয়ে ব্যপক হই চৈ সৃষ্টি হয়। এছাড়াও একাধিক নাম কেটে দেওয়া হয়েছে যা বিধিমালা বহিভুত,,এভাবে বিভিন্ন ওয়ার্ডে নানা অসংগতির পেক্ষাপটে নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ ছিল লক্ষ্যনীয়, বিষয় টি নিয়ে সৃষ্টি হয় তোলপাড়, ঘটনার এক পর্যায় নির্বাচন সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে তালিকা জটিলতা নিরসনের তাগিদ দেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা।
নতুন সংবাদ প্রতিদিন