নিজস্ব প্রতিবেদক
বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়ন আইন-আদালত ও জনস্বাস্থ্য তোয়াক্কা না করে নিজের অবৈধ ‘এস স্টার’ ব্রিক ফিল্ড টিকিয়ে রাখতে অভিনব প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন জনৈক আবু সালেহ। সম্প্রতি আয়োজিত একটি কথিত মানববন্ধনের নেপথ্যে বড় ধরনের আর্থিক লেনদেন ও স্বার্থান্বেষী মহলের কারসাজির চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
অভিযোগের নেপথ্যে কী?
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবু সালেহ তার অবৈধ ইটভাটাটি প্রশাসনের হাত থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কিছু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করেন। লোকচক্ষুর অন্তরালে এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল জনমত গঠনের নামে প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করা।
২ লক্ষ টাকার ‘দফারফা’
সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্যটি হলো, এই মানববন্ধন আয়োজন এবং নদীতে পাইলিং দেওয়ার ভুয়া প্রকল্প পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র আবু সালেহর সাথে বড় অংকের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এই অবৈধ সুবিধাপ্রাপ্তির বিনিময়ে ইতিমধ্যে ২ লক্ষ টাকা লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
"নদীতে পাইলিংয়ের মতো সরকারি প্রজেক্ট আনার নাম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া এই চক্রটি মূলত অবৈধ ইটভাটাকে সুরক্ষা দেওয়ার ঢাল হিসেবে কাজ করছে।" — নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা।
জনমনে ক্ষোভ
অবৈধ ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় একদিকে যেমন পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে, অন্যদিকে এই ধরনের সাজানো কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আবু সালেহর অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা হোক এবং অর্থ লেনদেনে জড়িত চক্রটিকে আইনের আওতায় আনা হোক।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ধরনের 'সাজানো' কর্মসূচির মাধ্যমে আইনকে প্রভাবিত করা যাবে না।
নতুন সংবাদ প্রতিদিন