সৌহার্দ্য বিশ্বাস
শিল্পাঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে নিরলস শিল্পচর্চা, নবীন শিল্পীদের পথপ্রদর্শন এবং সৃজনশীল শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসকে একটি বিশেষ আলোকচিত্র উপহার দেন বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অক্ষরশিল্পী বাবু ধনঞ্জয় রায়।চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস ২০১০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত দুই শতাধিক এর অধিক শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও শিল্পশিক্ষা বিভাগে অধ্যয়নের সুযোগ করে দিয়েছেন। তাঁর স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও পরিশ্রমে দেশের বিভিন্ন জেলার বহু শিক্ষার্থী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চারুকলা শিক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। এছাড়াও তাঁর একজন শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে একটি আর্ট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে শিল্পশিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।শিল্পচর্চা ও সমাজ পরিবর্তনে তাঁর অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান “রাঙা সকাল”-এ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে শিল্পচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজ গঠনে শিল্পের ভূমিকা নিয়ে তাঁর বক্তব্য দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।অনুষ্ঠানটি দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অক্ষরশিল্পী বাবু ধনঞ্জয় রায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে অনুষ্ঠানের একটি স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি সংগ্রহ করেন। পরে সেটি প্রিন্ট ও ফ্রেমিং করে ১১ মে বিকেল ৪টায় খুলনা আর্ট একাডেমিতে এসে চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাসের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক মো. আজগর হোসেন , খুলনা আর্ট একাডেমির সহকারী পরিচালক শিলা বিশ্বাস এবং উপস্থিত আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা।উপহার গ্রহণ করে চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে শিল্পচর্চা ও নতুন প্রজন্মের শিল্পশিক্ষার জন্য আরও ভালো কিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।বাবু ধনঞ্জয় রায় বলেন, “মাছরাঙা টিভির এই অনুষ্ঠানের মুহূর্তটিকে চিরস্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে আমি মিলন দাদাকে এই ক্ষুদ্র উপহারটি দিয়েছি। তাঁর মহৎ উদ্যোগকে আমি স্যালুট জানাই। শিল্পীজীবনে বহু মানুষের সংস্পর্শে এসেছি, কিন্তু মিলন দাদার কর্ম, চিন্তা, মানবিকতা এবং সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টা সত্যিই ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয়।”চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস বলেন, “আজকের এই উপহার আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান ও আবেগঘন। অর্থ মানুষের জীবনে সাময়িক, কিন্তু সম্মান ও প্রাপ্তি দীর্ঘস্থায়ী। তাই এই উপহার গ্রহণ করে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।”শেষে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনের পরিবার এবং বাবু ধনঞ্জয় রায়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের মাধ্যমে সমাজ ও শিল্পাঙ্গনে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে সুন্দর মুহূর্তের পরিসমাপ্তি করেন।
নতুন সংবাদ প্রতিদিন