ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের ভুটানি মার্কেটে,গরমের পোশাক সাজানো দোকান গুলি আগুনে বশীভূত।

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 8, 2026 ইং
সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের ভুটানি মার্কেটে,গরমের পোশাক সাজানো দোকান গুলি আগুনে বশীভূত।

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস,  কলকাতা,  পশ্চিমবঙ্গ

আজ ,৮ই জানুয়ারি বৃহস্পতিবার, ঠিক বিকেল  পৌনে চারটে নাগাদ, কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে ভুটানি মার্কেট সহ , ভীনদেশ থেকে আসা শীতের পোশাক নিয়ে যারা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে দোকান পেতে ছিলেন, হঠাৎ আগুনে বশিভূত হয়ে যায়। 
প্রায় পঞ্চাশ থেকে ষাটটি দোকানে সমস্ত গরমের জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে যায়, এছাড়াও পাশাপাশি যে সকল দোকান ছিল সেগুলিতেও আগুন লাগে।  আগুন লাগার সাথে সাথে চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায় দোকান দারদের মধ্যে। 
তৎক্ষণা দোকানদারেরা দমকলে খবর দেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকলের কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নেভানোর চেষ্টা করে, ততক্ষণে পঞ্চাশ থেকে ষাটটি দোকানের জিনিস সম্পূর্ণ আগুনে পুড়ে বশীভূত হয়ে যায়। এলাকার সকলে মিলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, জিনিস গুলি কিছুটা উদ্ধার করার চেষ্টা করেন, এবং দোকান দারেরাও তড়িঘড়ি দোকান থেকে জিনিসগুলি খুলে নিরাপদ জায়গায় ছুড়তে থাকে। 
প্রতিবছরই শীতের সময় এই ভুটানি মার্কেটের চতুর্দিকে ভীন দেশী মানুষেরা কর্মের পোশাক নিয়ে দোকান সাজিয়ে বসেন, তিন মাস ধরে চলে এই মেলা।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন, প্রশাসনের অফিসার ও আধিকারিকেরা, জনগণের ভীড় সামলাতে, এলাকাটি দড়ি দিয়ে ঘেরে দেন।  দমকলের কয়েক ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন আয়তে আসে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি, কিভাবে আগুন লেগেছে পুরোপুরি জানা না গেলেও, দোকানদাররা বলেন, আমাদের দোকানের পিছন দিকে আগুন দেখতে পেয়ে চেঁচিয়ে ওঠেন, সাথে সাথে আমরা বাঁচানোর চেষ্টা করলেও আগুন ততক্ষণে ছড়িয়ে গেছে সমস্ত দোকানে। 
কিছুক্ষণ বাদে ঘটনাস্থলে পৌঁছান চৌরঙ্গী বিধানসভার বিধায়িকা নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, তিনি এলাকাটি ঘুরে দেখেন, এবং সাংবাদিকদের সম্মুখীন হলে, তিনি বলেন এই মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয় তবে অফিসারেরা তদারকি করছেন, আদি দোকান পুড়ে বশীভূত হয়েছে তাহাদের সাহায্যের কথা জানতে গেলে বলেন এখনো এই নিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত করা যাবে না। সাথে সাথে বিধায়িকার সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন আগুনে পুড়ে যাওয়া বশীভূত দোকানদারেরা, তাহারা জানান আমাদের সব শেষ হয়ে গেলো। ম্যাডাম আমাদের সাহায্য করুন।। আমরা এখন কী করবো 
অন্যদিকে একি ভাবে দেখা গেলো, ভীন দেশ থেকে আশা মহিলা দোকানদারদের, তারাও কান্নায় ভেঙে পড়েন, তাহারা বলেন আমাদেরও সব শেষ, ভিনদেশ থেকে এসেছিলাম পেটের জ্বালায় ব্যবসা করতে, তাহারা যেটুকু গরমের পোশাক বাঁচাতে পেরেছেন সেইগুলি তারা বস্তায় ভরতে শুরু করেন। আর তাদের পরিবারের ছোট ছোট বাচ্চাদের সামলাতেও দেখা গেলো। তারা বলেন যদি এটা রাতের দিকে ঘটতো, তাহলে এই বাচ্চাদেরও রক্ষা করা যেত না, যেভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল, আমরা মাননীয়া বিধায়িকার কাছে এইটুকুনি করজোরে জানাতে চাই, আমাদের সাহায্য করুন।
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক

দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক